Posts

Facebook (31) | Barak Valley Fan Club's Photos - REUNION OF 80MILLION SYLHETIS

Facebook (31) | Barak Valley Fan Club's Photos - REUNION OF 80MILLION SYLHETIS

জাতি গঠন প্রক্রিয়া আর ভাষা-জাতীয়তাবাদের আঁতের কথা

‘জাতি’ শব্দটির বিচিত্র সব অর্থের সঙ্গে আমরা ভারতীয়েরা সেই আবহমান কাল থেকে পারিচিত । কিন্তু ব্রিটিশ ভারতে তার আরো তিনটি অর্থের সঙ্গে পরিচিত হলাম। তার একটি ‘ভারতীয় জাতি’, দ্বিতীয়টি ‘হিন্দু জাতি’ আর তৃতীয়টি ‘মুসলমান জাতি’। এই শব্দগুলো জন্মালো স্পষ্টতই ‘ব্রিটিশ জাতি’কে নকল করবার প্রেরণার থেকে। সেই ব্রিটিশ , যারা নিজের দেশে মূলত ইংরেজদের আধিপত্য কায়েম করতে গিয়ে স্কাটিশ,আইরিশদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করা ছাড়াও পৃথিবীর যেখানে গেছে সেখানেই চেষ্টা করেছে আদিবাসিদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে। আমিরিকা, অস্ট্রেলিয়া তার দুট বড় নিদর্শন। ১৯০৫এর বাংলাভাগের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পর থেকে ‘জাতি’ শব্দটি ভারতে রাজনৈতিক বাদানুবাদের কেন্দ্রে চলে এলো। দুই বিশ্বযুদ্ধের বাতাবরণও তাতে ইন্ধন যোগালো। হিটলারের ফাসিবাদের পেছনেও ছিল সেই জাতীয়তাবাদের প্রেরণা। তার উল্টো পিঠে আরো অনেকের সঙ্গে প্রবল হল ইহুদি জাতীয়তাবাদ। বিলেতিদের বিরুদ্ধে লড়তে গেলেও ওদের মতো হবার এবং সম্ভব হলে ওদের টেক্কা দেবার ঔপনিবেশিক ঝোঁকটা আমাদের ছিল বরাবরই। সুতরাং আমরাও এক ‘ভারতীয় জাতি’র স্বপ্ন দেখলাম। কিন্তু তাতে বাঁধ সাধাবার লোক ...

‘হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ, চেতনায় উনিশ’ : বাঙালির আত্মাভিমান, অসমিয়া উগ্রজাতীয়তাবাদ এবং রবীন্দ্রনাথের হৃদয় কথা

Image
                                 “আমাৰ ,ভাৰতবর্ষৰ এই খণ্ডৰ অধিবাসিসকলৰ, এই যে মাতৃভাষাবোৰঃ/অসমীয়া,মণিপুৰি,বাংলা,বডো,ভোজপুৰী,মিছিং,চিলেটী,নেপালী,খাচি,হিন্দী, ৰাজস্থানী,/কার্বী,তিৱা,ডিমাছা,জেমিনাগা,টাংখুল,আঙ্গামী,কুকি,মিজো,মনপা,ককবৰক…/আমাৰ অতিকৈ প্রিয় তথা পূজ্য।...” এভাবেই শুরু হয়েছে সুপরিচিত অসমিয়া তরুণ কবি ঋতুরাজ কলিতার এক আশ্চর্য সুন্দর গদ্য কবিতা। কবিতাটি দীর্ঘ। সবটা তুলে দেয়াটা এই প্রবন্ধের পক্ষে বিরক্তিকর হবে। আমি বরং প্রাসঙ্গিক ক’টা পংক্তি তুলে দিচ্ছি।“…তথাপি, কাকতৰ পাত তথা দূৰদর্শনৰ পর্দাত ভিন ভিন বাতৰিবোৰ দেখি-শুনি…আমাৰ মনত কিয় জানো এই সন্দেহ আহে/যে আমার এই ভাষাবোৰ/সঁচাকৈয়ে জানো প্রকাশ কৰিব পাৰে সকলোধৰণৰ মানুহৰ মর্মবেদনা?...।যদি প্রতিটো ভাষাই সকলোৰে সুখদুখ সমানেই প্রকাশ কৰিব পাৰিলেহেতেন/তিনিচুকীয়াৰ গাঁওবাসীৰ কণ্ঠত শুনিলোহেঁতেন জানো সেই সংগঠন আৰু সেই ব্যক্তিৰ বাবে জিন্দাবাদ ধ্বনি, যাৰ নির্দেশিত গণহত্যাত নিহত হৈছে তিনিচুকীয়াৰেই শতা...

।। যারা বানান ভুল করে তাদের পক্ষে দু’এক কলম ।।

Image
( প্রবন্ধটি লিখতে গিয়ে  সংসদ প্রকাশিত রমেন ভট্টাচার্যের 'বাংলা বানান নিয়ম ও অনিয়ম' থেকে কিছুটা সাহায্য নিয়েছি। লিখেছিলাম বছর দুই আগে আমাদের কলেজের বাংলা বিভাগীয় পত্রিকা 'আশা'র জন্যে। সেটিকেই একটু সম্পাদনা ও সংযোজন করে এখানে তুলে দিলাম) বানান আমরা প্রায় সবাই কখনো না কখনো ভুল করি । আমরা বাক্যের গঠনেও ভুল করি । ক্রিয়া – সর্বনামের, সাধু-চলিতের ব্যবহারে আমাদের ভুল কখনো বা রীতিমতো কৌতুক নক্সার বিষয় হতে পারে । সে ঐ পর্যন্তই । সচরাচর তা নিয়ে কেউ বিশেষ চোখ রাঙায় না । কিন্তু বানান ভুল? কিছু স্ব-ঘোষিত মাস্টার মশাই সারাক্ষণ বেত হাতে দাঁড়িয়ে থাকেন, যেন ভুল করলেই বলবেন---দেখি , হাত তোল! মাতৃভাষা পালটে ফেলেও রক্ষে নেই । সব ভাষারই ঘোষিত মাস্টার মশাইরা ’ খুব রাগ করেন, এ নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ভাববার চেষ্টা করেছি । এ রীতিমত গবেষণার বিষয়  হতে পারে । সে গবেষণা করিনি, তবে মনে হয়েছে — বাক্য ভুল নিয়ে হৈচৈ করবার জন্যে যে পরিমাণ ‘ মাস্টার-ডিগ্রি ’ র দরকার  আমাদের বেশিরভাগেরই সে পরিমাণ নেই । সে যাক, আমরাও খুব জ্ঞানী গুণী নই, তাই আপাতত বানান নিয়েই বলব । উদ্দেশ্য , বেত-হাতে কড়া মাস্টার মশা...