আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান, সমাজভাষা বিজ্ঞান এবং রবীন্দ্রনাথ

( ২৮, ২৯ জুন,২০১১ গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় আলোচনাচক্রে পাঠ করবার জন্যে) পা ণিনির ব্যাকরণকে আজকাল গোটা বিশ্ব দাবি করে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের, এমন কি চমস্কি প্রবর্তিত রূপান্তরমুলক সৃজনমূলক ভাষাবিজ্ঞানেরও আদিগ্রন্থ। এটি যেমন আমাদের পক্ষে গৌরবের তেমনি এ আমাদের এক সর্বনাশেরও কারণ। আমরা জানি, এর পর ভারতে যতগুলো ব্যাকরণ লেখা হয়েছে সেগুলো ওই পাণিনি ব্যাকরণেরই টীকাভাষ্য। দার্শনিক মতপ্রস্থান অনুযায়ী কেউ কেউ টীকাভাষ্যের বয়ানে, গ্রহণ বর্জনে রকমফের ঘটিয়েছেন কিন্তু মূলগত ভাবে সেগুলো পানিনি ব্যাকরণেরই উত্তরভাষ্য বলা চলে। পালি-প্রাকৃত ভাষারও ব্যাকরণ যে কয়টি লেখা হয়েছে সেগুলোতেও তার ব্যত্যয় হয়নি। এমন কি প্রথম যে প্রাকৃত ব্যাকরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে সেই হেমচন্দ্রের ‘সিদ্ধহেম শব্দানুশাসনে ’ও তাই আর সেটি রচিত হচ্ছে প্রাকৃতের বয়স সহস্রাব্দ পার করাবার পর খ্রীষ্টীয় একাদশ দ্বাদশ শতকে। ততদিনে প্রত্ন বাংলাও দেখা দিচ্ছে , চর্যাপদের কবিতাগুলো লেখা হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং বাংলা ব্যাকরণ বা অভিধানের জন্যে যে আমা বাংলা শব্দতত্ত্ব দের ১৭৩৪ খৃস্ট...